সোমবার, ৮ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং, রাত ৪:২০
শিরোনাম :
বিএমপি’র বন্দর থানায় মাদক ও অপরাধ দমনে কঠোর অবস্থানে ওসি সনজিত চন্দ্র নাথ বরিশালে ফিরোজ ও এনায়েতের নেতৃত্বে ২৪ নং ওয়ার্ড বিএনপির বর্ণাঢ্য র‍্যালি বাঁধনের ২৯তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে বিএম কলেজে আলোচনা সভা, র‍্যালি ও বৃক্ষরোপণ বিএম কলেজে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণ জাতীয় ঐক্য ও সংহতির গুরুত্ব তুলে ধরে বরিশাল মেট্রোপলিটন কলেজে আলোচনা সভা সাংবাদিকদের ওপর হামলা ও হয়রানির ঘটনায় সাংবাদিক সুরক্ষা পরিষদের গভীর উদ্বেগ প্রকাশ বরিশাল জেলা জামায়াতের নবনির্বাচিত আমীর ড.মাহফুজুর রহমানের শপথ গ্রহণ বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দাম আরও কমলো যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক তৎপরতাকে চ্যালেঞ্জ জানাতে সক্ষম উদীয়মান শক্তিতে পরিণত হচ্ছে ইরান দেড় মাসের শিশু উদ্ধার,এসআই রুহুল আমিনের নেতৃত্বে গ্রেপ্তার তিন নারী কারাগারে

ধেয়ে আসছে ঘূর্ণিঝড় ‘আম্ফান’

ডেক্সরিপোর্ট  ধেয়ে আসছে মৌসুমের প্রথম ঘূর্ণিঝড় ‘আম্ফান’। ধারণা করা হচ্ছে, শুরুতে এটি ভারতের পশ্চিমবঙ্গ উপকূল হয়ে ধীরে ধীরে বাংলাদেশ ও মিয়ানমার উপকূলে আঘাত হানতে পারে।

ঘূর্ণিঝড় ‘আম্ফান’ এর প্রভাবে রোববার (৩ মে) ভোর থেকে সৃষ্ট মেঘের ঘনঘটায় শুরু হয় হালকা বৃষ্টি, যা মুষলধারে রূপ নেয় সকাল ৯টার পর। ঘন্টাব্যাপী ভারি বর্ষণের পর পায় বিরতি। এসময়েই জমে থাকা পানিতে নগরের বিভিন্ন এলাকায় সৃষ্টি হয় জলাবদ্ধতা।

চট্টগ্রাম আবহাওয়া অফিস সূত্রে জানা গেছে, এ বৃষ্টি আরও ২দিন অব্যাহত থাকতে পারে। একটানা বৃষ্টিতে পাহাড় ধসের শঙ্কা থাকলেও এ মৌসুমে তার সম্ভাবনা নেই বলে জানিয়েছেন পতেঙ্গা আবহাওয়া অফিসের সহকারী আবহাওয়াবিদ শেখ ফরিদ আহমেদ।

তিনি বলেন, বজ্রসহ বৃষ্টির সঙ্গে ঝড়ো হাওয়া থাকবে ২ দিন। এটি মৌসুমি বৃষ্টি। ভোর ৬টা থেকে সকাল ৯টা পর্যন্ত ৪ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়েছে।

নগরে বর্ষণ।এদিকে ধেয়ে আসা বছরের প্রথম ঘূর্ণিঝড়টির উৎপত্তিস্থল ও গতিপথ নিয়ে আবহাওয়াবিদদের মধ্যে মতভেদ রয়েছে। তবে এটি যে যথেষ্ট শক্তিশালী এবং ভারতের পশ্চিমবঙ্গ, বাংলাদেশ ও মিয়ানমার উপকূলে আঘাত হানবে-তা নিয়ে সকলেই একমত প্রকাশ করেছেন। বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট ঘূর্ণিঝড় ‘আম্ফান’ আগামী ৫ মে এর পর তার গতিপথ কোনদিকে পরিবর্তন করে সেদিকেই চেয়ে আছেন আবহাওয়া দপ্তরের কর্মকর্তারা।

আবহাওয়াবিদরা বলছেন, বঙ্গোপসাগর ও ভারত মহাসাগরের বেশ কিছু এলাকাজুড়ে তৈরি হয়েছে ঘূর্ণিঝড় ‘আম্ফান’। সেটি দেশের উপকূলীয় পটুয়াখালি, বরিশাল, বরগুনা, লক্ষীপুর ও ফেনীতে ক্যাটাগরি-৪ মাত্রার শক্তি নিয়ে আঘাত করতে পারে। যদিও ঘূর্ণিঝড়টি সর্বোচ্চ ক্যাটাগরি-৩ মাত্রার হবে এবং ক্যাটাগরি-২ মাত্রার শক্তি নিয়ে সুন্দরবনে আঘাত হানতে পারে। ঘূর্ণিঝড়টি মধ্য বঙ্গোপসাগরে এসে শক্তি সঞ্চয় করতে পারে এবং যতই উত্তর পশ্চিমে অগ্রসর হবে ততই শক্তি অর্জন করতে থাকবে। এটি উড়িষ্যা উপকূলের কাছাকাছি সর্বোচ্চ শক্তি অর্জন করতে পারে-এমন পর্যবেক্ষণও রয়েছে।

আরেকটি পর্যবেক্ষণ বলছে, ঘূর্ণিঝড়টি আন্দামান দীপপুঞ্জের কাছে সৃষ্টি হয়ে খুব দ্রুত শক্তি বাড়িয়ে উত্তর পশ্চিমে অগ্রসর হয়ে ভারতের পূর্ব উপকূল ঘেঁষে উত্তর পূর্বদিকে অগ্রসর হবে এবং ভারতের পশ্চিমবঙ্গে ক্যাটাগরি-৪ মাত্রার শক্তি নিয়ে আঘাত করতে পারে।

আবার এটি উত্তর-পশ্চিম দিকে অগ্রসর হয়ে ক্রমাগত শক্তি বৃদ্ধি করতে করতে মধ্য বঙ্গোপসাগরের দিকে যেতে পারে এবং আগামী ৬ মে এর মধ্যে স্পষ্ট ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হতে পারে। এরপর সামান্য কিছুটা পশ্চিম ও উত্তর পশ্চিম দিকে অগ্রসর হয়ে উত্তর দিকে বাঁক নিতে পারে এবং শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড়ে (ক্যাটাগরি ৩ প্লাস) পরিণত হতে পারে। সর্বশেষ আগামী ১২ ও ১৩ মে নাগাদ পশ্চিমবঙ্গ থেকে বরিশাল পর্যন্ত যে কোনও এলাকা অতিক্রম করতে পারে। উপকূল অতিক্রমের পূর্বে কিছুটা দুর্বল হতে পারে।

উল্লেখ্য, ঘূর্ণিঝড়ের ‘আম্ফান’ নামকরণ করেছে থাইল্যান্ড। ‘আম্ফান’ ২০১৯ সালের ঘূর্ণিঝড় তালিকার শেষ নাম।